ব্লগ প্রশিক্ষণ

আপনার লিখতে যাতে সুবিধা হয় সে জন্য আপনি নিচের টুলবারের বিভিন্ন টুল এর বর্ণনা টা পড়ে নিতে পারেন।

1st1

লেখাকে বোল্ড করার জন্য আগে লেখাটি সিলেক্ট করুন এবং তারপর এটি ব্যবহার করতে হবে।

 

 

2st

যেকোন লেখাকে এর মাধ্যমে করবেন ইটালিক।

 

 

36

লেখায় যদি কোন ভুল হয় তবে এর মাধ্যমে আপনি তা ডিলেট না করে মাঝ বরাবর একটি আচ্ছাদন দিতে পারেন। যেমন: ABC

 

 

44

এর মাধ্যমে আপনি লেখায় বুলেট ব্যবহার করতে পারেন।

 

56

এর মাধ্যমে লেখাকে নাম্বারিং করতে পারেন।

 

 

64

সাধারণত এর মাধ্যমে আপনি কোটেশন ব্যবহার করতে পারবেন।

 

 

73

এর মাধ্যমে আপনি আপনার লেখাকে বামে, মাঝে ও ডানে সাজাতে পারেন।

 

 

83

ব্লগিং এ এইটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কোন লেখাকে সিলেক্ট করে এর মাধ্যমে আপনি লিংক যুক্ত করতে পারেন। যেমন: আপনি লিখবেন DOWNLOAD এর পর তা সিলেক্ট করে এর মাধ্যমে আপনার ডাউনলোড লিংকটি বসিয়ে দিন। এতে যে কেউ আপনার লিখিত ওই DOWNLOAD লেখার উপর ক্লিক করে ডাউনলোড শুরু করতে পারবে।

 

 

92

এর মাধ্যমে যদি কোন লিংক থাকে তবে তা বাদ দিতে পারবেন।

 

 

102

এটি দিয়ে আপনি রুলের কাজ করতে পারবেন।

 

 

119

এর মাধ্যমে আপনি বানান চেক করতে পারবেন।

 

 

123

এর মাধ্যমে ফুলস্ক্রিন মুডে লিখতে পারবেন।

 

 

133

এর দ্বারা আপনি এক্সট্রা কিছু টুল আড়াল বা দৃশ্যমান করতে পারবেন।

 

 

143

এর দ্বারা আপনি লেখার স্টাইল পরিবর্তন করতে পারবেন। লেখা সিলেক্ট করে এর ড্রপডাউন মেনু হতে Heading 3 বা Heading 2 সিলেক্ট করতে হবে।

 

 

153

এর দ্বারা আন্ডারলাইন করবেন।

 

 

171

সিলেক্ট করা লেখাকে যদি কোন কালার/Color দিতে চান তবে এটি ব্যবহার করুন।

 

 

181

এর মাধ্যমে আপনি জটিলতা ছাড়াই টেক্সট লিখতে পারবেন।

 

191

এর মাধ্যমে আপনি লিখাটি ওয়ার্ড স্টাইলে লিখতে পারবেন।

 

 

202

এর মাধ্যমে আপনি লিখার বিন্যাস (ফরমেট) পরিবর্তন করতে পারবেন।

 

 

271

এটি দিয়ে আপনি আপনার লিখাকে স্টাইল দিতে পারেন।

 

 

212

এটি দিয়ে লিখার ইনডেন্ট পরিবর্তন করা হয়। মানে হল এর মাধ্যমে সিলেক্টেড লিখাকে ডানে বা বামে সরানো হয়।

 

 

222

এর মাধ্যমে লিখা আগের অবস্থায় বা নতুন অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়া হয়।

 

 

এর পর আমরা আরেকটি প্যানেল সম্পর্কে জানবো। তা হলো Publish প্যানেল। এর কাজ সাধারণত আমরা সবাই কিছুটা হলেও জানি। এটি আপাতত ডান দিকের উপরের অংশে পাওয়া যাবে।

New-1

  • Save Draft : সাধারণত দেখা যায় যে আমরা একটি পোস্ট একবারে সমাপ্ত করতে পারি না । তখন এটি আমাদের অনেক কাজে দেয় । আপনি যদি এটি দ্বারা সেভ করেন তাহলে আপনার লেখাটি যেভাবে রাখবেন পরবর্তীতে সেরকমই পাবেন একটুও পরিবর্তন হবে না । আর যদি Save Draft দ্বারা সেভ রাখা না হয় তবে আপনি আপনার আগের লেখাটি সম্পূর্ণ আগের অবস্থায় ফেরৎ নাও পেতে পারেন।

 

New2

  • Preview: এর সাহায্যে ব্লগে আপনার লিখাটি কেমন হয়েছে তা দেখতে পারেন।

 

new-5

  • status: Draft এর Edit এ ক্লিক করলে আপনি এর নিচে একটি মেন্যু পাবেন। যার ড্রপডাউন মেনুতে ক্লিক করলে দেখবেন সেখানে দু’টি অপশন বের হয়েছে। একটি হচ্ছে- ১) Draft ও অন্যটি হচ্ছে ২) pending review

 

  • nes-6

আপনি যদি Pending Review দিয়ে রাখেন তাহলে আপনার লেখাটি প্রকাশ হবে না তাই আপনার লেখাটি প্রকাশ করতে হলে খসড়া/Draft দিয়ে লেখতে হবে ।

 

  • Visibility: এই কথাটির অর্থ হচ্ছে অবলোকন। ডিফল্টভাবে এটি Public সিলেক্ট হয়ে থাকবে। তবে আপনি এর Edit বাটনে ক্লিক করলে আরও তিনটি অপশন পাবেন।
  • ১) Public: আপনি যদি পাবলিক/Public দিয়ে রাখেন তাহলে আপনার লেখাটি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মানে হল আপনার প্রকাশের পর সবাই দেখতে পারবে।
  • ২) Password Protected: পাসওয়ার্ড এর কাজ কী তা তো আমরা সকলেই জানি! এটি দিয়ে রাখলে আপনার দেয়া পাসওয়ার্ড ছাড়া এটি কেউ দেখতে পারবেন না।
  • ৩) : এই ঘরটিতে ক্লিক করে শুধুমাত্র আপনি আপনার ব্যক্তিগত/ ফাইল রাখবেন ।
  • Publish: এটির মাঝে থাকে আপনার পোস্টের রেকর্ডসমূহ। আপনি কখন কবে আপনি আপনার পোস্টটি প্রকাশ করেছেন সেই রেকর্ড ।
  • এখন আপনি পাবেন তিনটি সম্পূর্ণ খালি ঘর। ১) আপনি কী চাচ্ছেন যে আপনার লেখাটি ফেসবুকের সাথে অ্যাড হউক ।
  • আপনি কী চাচ্ছেন আমি লেখায় লাইক বাটন থাকুক ?
  • আপনি কী চাচ্ছেন আপনার লেখায় কমেন্ট হউক? যদি আপনি এগুলোর মাঝে যে কোন একটি না চান তাহলে ওইখানের খালি ঘরে ক্লিক করুন ।
  • Move to Trash: এটি দ্বারা আপনি আপনার অপ্রয়োজনীয় লেখাসমূহ আবর্জনা হিসেবে বাদ দিতে পারবেন।
  • Pubilish: এটি দ্বারা আপনি আপনার লেখাটি প্রকাশ করবেন।

 

ক্যাটাগরি আপনার পোস্টের ক্ষেত্রে অন্তত্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আপনি যদি সঠিক ক্যাটাগরি নির্বাচন না করেন তবে আপনার লেখাটি প্রথম পেজে দেখা যাবে না। আপনি যে বিষয়ের উপর লেখবেন আপনি সেই ক্যাটাগরি নির্বাচন করবেন।

 

ট্যাগ নির্বাচন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ। ট্যাগ নির্বাচন করার কারণ হচ্ছে আপনি একটি লেখা লিখার পর যদি আপনি ওইলেখাটি ট্যাগ না করেন তবে ওই লেখাটি সার্চ দিয়ে পেতে কষ্টকর হবে। আর আপনি যদি সঠিকভাবে ট্যাগ করেন তাহলে সার্চ দেয়ার সাথে সাথে আপনার লেখাটি পাওয়া যাবে। ট্যাগ নির্বাচন করবেন কীভাবে? আপনি যে বিষয়টির উপর লেখবেন আপনি ওই বিষয়টির উপর ট্যাগ করবেন। যেমন, আপনি যদি পিসি টিপস জাতীয় কোন পোস্ট লিখেন তবে আপনার ট্যাগ হবে PC tips and tricks. তাহলে এখন থেকে নিশ্চয় আপনার সঠিক ট্যাগ ব্যবহার করবেন।