Tag: সনাতন ধর্ম

ব্রহ্মজ্ঞানের আলোয় অতীত (অহল্যা উদ্ধার)

ব্রহ্মজ্ঞান মায়ার আবরণ অপসারিত করে জগতের প্রকৃত স্বরূপ প্রকাশ করে। শাস্ত্রে বলা হয়েছে শব্দই ব্রহ্ম। শব্দজ্ঞান লাভ করলে অর্থাৎ শব্দের প্রকৃত অর্থ জানলে বর্তমানের সঙ্গে ইতিহাস এবং ভবিষ্যতের যোগ স্থাপিত হয়। ব্রহ্মজ্ঞানীর কাছে অতীত এবং ভবিষ্যৎ বর্তমানের মতোই সমভাবে প্রকাশিত। ব্রহ্মজ্ঞান তথা শব্দজ্ঞানের আলোয় একটি অতিপ্রাচীন কল্পকাহিনীর বিশ্লেষণ করার চেষ্টা হচ্ছে। এই কাহিনী অতিপ্রাচীন যুগের … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

ব্রহ্মজ্ঞানের আলোয় অতীত

    মায়ায় মোহিত জীব প্রকৃত জ্ঞান লাভ করতে পারেনা। তারা মিথ্যাকে সত্য আর সত্যকে মিথ্যা মনে করে অন্ধের মতো সংসারচক্রে ঘুরে চলে। ব্রহ্মজ্ঞান এই মায়ার আবরণকে অপসারিত করে। সত্যকে প্রকাশ করে। ব্রহ্মজ্ঞানীর কাছে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সমানভাবে প্রকাশিত। হিন্দুশাস্ত্র জানিয়েছে শব্দই ব্রহ্ম। শব্দের প্রকৃত জ্ঞান লাভ হলে ব্রহ্মজ্ঞান পাওয়া যায়। এই দাবীর সত্যতা … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

নাস্তিকের সরস্বতী-ভাবনা

সরস্বতী সম্বন্ধে ভাল করে না জেনে হুজুগে মেতে সরস্বতী পূজা এবং ভক্তিহীন সরস্বতীপূজা করা অর্থহীন। এই নিয়ে একটা গল্প বলছি। বছর দশেক আগে এক সরস্বতী পূজার দিনে আমি একটি কলেজে (কলেজটার নাম উহ্য রইল) জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ে একটি সেমিনার করতে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখি ছাত্রছাত্রীদের সেমিনারের দিকে মন নাই, সবাই উসখুস করছে, যেন কোনো তাড়া আছে। তাড়ার কারণটা একটু পরেই বোঝা গেল…

বয়লার বিস্ফোরণ ও কীটপতঙ্গ শ্রমিক

গার্মেন্টস মালিকরা বাংলাদেশে অনেক ক্ষমতাবান। আমাদের সরকার থেকে শুরু করে সকল প্রতিষ্ঠান ওদের কথায় ওঠে আর বসে। ওদের গাফিলতির জন্যে আমাদের দেশে কতো শ্রমিক প্রাণ দিয়েছে তার গোনাগাথা নাই। পায়ের তলে পিষ্ট হয়ে, আগুনে পুড়ে, ভবনের নিচে চাপা পড়ে কিট পতঙ্গের মতো শ্রমিকরা মরে। কোনোদিন কোনো মালিকের জেল হয়না, বিচার হয়না। সরকার থেকে শুরু করে সবাই ব্যস্ত হয়ে যায়, মালিকদের লোকসান কীভাবে পুষিয়ে দিবে তার জন্যে। শ্রমিকের প্রাণের দাম ওদের কাছে কিচ্ছু না।

এইজ অব কনসেন্ট (Age of consent) ও ধর্ষণ

১২ বছর থেকে বা ১৩ বছর থেকে বা ১৪ বছর থেকেই একজন নারীশিশুর মধ্যে যৌন আকাঙ্খা, যৌন চাহিদা – এসব তৈরি হতে পারে, প্রেম ভালোবাসার সাথে সাথে যৌন আনন্দ উপভোগের ব্যাপারটিও চলে আসতে পারে, ফলে এই বয়সেই সে স্বেচ্ছায় যৌনসম্পর্কে লিপ্ত হতে পারে। সেক্ষেত্রে এই প্রশ্নটি খুব স্বাভাবিক যে, যে সম্পর্ক সে নিজে থেকে ও নিজ উদ্যোগে করেছে সেটির জন্যে আরেকজনকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় কী না, দোষী সাব্যস্ত করা হলেও তার জন্যে তার শাস্তি, আরেকজন যে সম্পূর্ণ জোর করে মেরে পিটে ধর্ষণ করছে তার সমান হতে পারে কী না- এসব প্রশ্নের জবাবে আমি কিছুটা রিলাক্টেন্টই হতে চাইবো। 

নবি মুহাম্মদের মৃত্যু রহস্য, একটি ফরেনসিক রিপোর্ট

এইভাবে অন্ততপক্ষে দশজন নিকট আত্মীয়ের পক্ষেই মুহাম্মদকে হত্যা করার কারণ এবং সুযোগ ছিল। যার মধ্যে তিনজন ছিলেন খলিফা পদের সম্ভাব্য অধিকারী বা অধিকারীর পরিবারের লোক। বিবিরা সকলেই ভয় করতেন, কখন মুহাম্মদ তাঁদের তালাক দিয়ে বসেন। এই অবস্থায় মুহাম্মদের মৃত্যুর সম্ভাবনার দায় কেবলমাত্র ইহুদিদের ওপর চাপানো অজ্ঞতার নামান্তর। নবি মুহাম্মদের খুন হবার বাঁকি সম্ভাবনাগুলিও মাথায় রাখা প্রয়োজন।

সংখ্যা হিসেবে ‘এক’ এর ঐতিহাসিক আধিপত্যঃ একত্ববাদ ও বহুত্ববাদ

পাইথাগোরাস মনে করতেন এক দিয়ে বা এক হতেই জগতের সৃষ্টি। একের জন্য এত বড় মর্যাদাকর অবস্থান এর আগে আর কখনো আসেনি। কিন্তু খুব শীঘ্রই পাইথাগোরাসের সমগ্র বিশ্বাসের মূলে কুঠারাঘাত নেমে আসে এবং খুবই বিয়োগান্তক ভাবে সেটা আসে ত্রিভুজ থেক। যে ত্রিভুজ তাঁকে জগদ্বিখ্যাত করে সেই ত্রিভুজই তার জীবন ও দর্শনের গতিরোধ করে দাঁড়ায়। সবকিছুর মূলে যদি এক থাকে, তাহলে ত্রিভুজের মূলেও এক সংখ্যা থাকবে। কিন্তু সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রে পাইথাগোরাস প্রত্যেক বাহুকে একটি একক সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করতে চেষ্টা করতে ব্যর্থ হন। তার এক শিষ্য পাইথাগোরাসকে এ বিষয়টা অবগত করালে পাইথাগোরাসের সমর্থক গোষ্ঠী তাঁকে ডুবিয়ে মেরে ফেলে।

প্রবাসীনির চোখে মিলিনিয়াম দশকের ঢাকা

আনিসুল হকের লেখা আর মোস্তফা সারোয়ার ফারুকীর পরিচালনায় ব্যাচেলর নামক ছবিটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয় মধ্যবিত্ত দর্শকদের কাছে। ব্যাচেলর সিনেমার ভাষারীতির দ্বারা তরুণ সমাজ ব্যাপক প্রভাবিত হন। প্রমিত ভাষার পরিবর্তে উঠতি লেখকরাও ফারুকী ভাষা ব্যবহারে উৎসাহী হয়ে ওঠেন। নগরজীবনে, স্কুল-কলেজে, নাটকে-সিনেমায় এই ভাষাটির প্রচলন শুরু হয়। সুশীল সমাজে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত মধ্যবিত্তের জীবনের কোথাও এই ভাষারীতিটি রয়ে যায়। এসময় ঢাকাই বাণিজ্যিক ছবি কাজী হায়াৎ এর আম্মাজানও বেশ সাড়া তোলে।

পারিবারিক নির্যাতন: শেষ কোথায়?

বাংলাদেশের গৃহবধূরা যে স্বামীর নির্যাতনের শিকার তার একটি মূল কারণ হলো অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা। তিনি পদে পদে স্বামীর উপার্জনের উপর নির্ভরশীল। তার শ্রম তিনি দিচ্ছেন কিন্তু তার উপযুক্ত মূল্য পাচ্ছেন না। তবে বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক যে নারী অর্থ উপার্জনের সঙ্গে জড়িত, যারা কাজ করছেন কলে কারখানায়, অফিসে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, হাসপাতালে ও অন্যান্য স্থানে, যারা যুক্ত রয়েছেন বিভিন্ন পেশায় তারা কি পারিবারিক নির্যাতন থেকে মুক্ত হতে পেরেছেন? না তা পারেননি। পারেননি কারণ তারাও অসম সামাজিক অবস্থানের শিকার।

উদ্বাস্তু

সুধারাম, আমার বয়স হবে কবে? কালীর বাজার নাম মুছে দিয়ে, ওরা তার উপর সাদা কালির আঁচড়ে লিখে দিলে অন্য একটি নাম। তবুও আমার মরণ হল না। ঘাটের মড়া হয়ে পড়ে থাকব বলে, হাঁটতে হাঁটত চলে এসেছিলাম শ্মশান ঘাটে। ঘাট নেই, শ্মশানও নেই। সুধারাম, আমার মরণ হবে কবে? আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ছে আমার পাপ; এই দৃশ্য … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]