Tag: স্মৃতিচারণ

অভিজিৎ স্মৃতি ও একটি দেয়াল ঘড়ি

২০১৫ ফেব্রুয়ারিতে দেশ থেকে বিদেশ-বিভুইয়ে ফিরেছি। বউয়ের বড় বোন ও জামাই একমাসের ছুটিযাপন শেষে লন্ডনে ফিরে যাবে। তাই ২৬ ফেব্রুয়ারি ওদের সাথে এক ইতালিয়ান ভেগান রেস্তোরাঁয় নৈশভোজে গিয়েছি। কে জানত আমরা যখন ভোজনে ব্যস্ত, তখন ঢাকায় ঘটে যাচ্ছে এক হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা – অভিজিৎ রায়, যার সাথে ৫ বছর একবাসায় একসাথে কাটিয়েছি, তাকে জবাই করছে জিহাদিরা। … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

অরিন্দম মুন্সি

অরিন্দম দা’র সাথে প্রথম যেদিন সাক্ষাৎ হয় সেদিন দাদা খুবই এক্সাইটেড ছিলেন। আমাকে বার বার ফোন করে অস্থিরতা প্রকাশ করছিলেন। যখন দেখা হলো তখন আমি বেশ ক্ষুধার্ত ছিলাম, দাদাকে বলছিলাম ‘আমি একটু ওদিক থেকে ৫/৭ মিনিট কাজ সেরে আসছি, আপনি অয়েট করুন’। দাদা ঠিকই বুঝে ফেলেছিলেন আমি কী কারণে কোথায় যেতে চাইছি। আসলে আমি একটা … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

আমনূরা রেলইস্টিশন ও পদ্মবিলের মাতালগন্ধী বকপাখি

সেসময় আমাদের মত নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষদের বাড়ি বদলাতে ট্রাক-লরি লাগত না। রিকশা বা ট্রেন-বাসেই চলে যেত। বাবার চিঠি পেয়েই দর্শনা থেকে গিয়েছিলাম চুয়াডাঙ্গা। তখনো শীত পড়েনি। ভোরের দিকে একটু-আধটু ঠাণ্ডা লাগে। মাঝ হেমন্ত। বাক্সো পোটরা, বোঁচকা-পোটলা, হাড়ি-পাতিল, ঘটি-বাটি, বিছানা-বালিশ, লেপ-কাঁথা বাধাছাদা শেষ হলে রিকশায় চলে যাই ইস্টিশনে। ট্রেন যাবে উত্তরে। পাখা পড়ল। ঘণ্টা দিল। তারপর সকলেই … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

তসলিমা নাসরিন, এই প্রথম আপনাকে শুভ জন্মদিন জানালাম

তসলিমা নাসরিনের জন্মদিন আজকে? তসলিমা আপনি যদি এই পোস্টটি দেখেন তাইলে আমার অভিনন্দন গ্রহণ করুন। শুভ জন্মদিন। আমি যে কেবল নিজে শুভ জন্মদিন জানাচ্ছি সেটা নয়- আমি আপনাকে শুভ জন্মদিন জানাচ্ছি আমার দুই কন্যার পক্ষ থেকে, আমার প্রিয়তমা স্ত্রীর পক্ষ থেকে, এবং আমার হতভাগী জননীর পক্ষ থেকে। হতভাগী জননী কেন বলছি? কারণ তিনি যখন জন্মেছেন তখন নারীর … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

ঈশ্বর নয়, মানুষ হবো

আমাদের দৈনন্দিন জীবন, যাপিত বাস্তব আসলে নানাবিধ লজ্জার উদযাপন ছাড়া কিছুই নয়। নির্লজ্জতা এখানে অভিশাপ, অপরাধ, অন্যায়। শরমে আগাগোড়া মুড়ে দেওয়া শরীর এই বাস্তবের আদর্শ। মুখে বুলি না ফোটা কন্যা বিবাহের জন্য সুযোগ্যা। একের পর এক সন্তানের জন্ম দিয়ে যেতে থাকে স্বামী-স্ত্রী ফি বছর, অথচ একে অপরকে মুখ ফুটে জনসমক্ষে বলবে না, ‘ভালোবাসি’। যৌবনে আনন্দঘন … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

বিপ্লবের ইতিহাসে ২৮ জুলাই

চার্লস ডারউইন এবং হেনরি ল্যুইস মরগান যাকে ‘ন্যাচারাল সিলেকশন‘ বলছেন তার সরল বাংলা ভাবার্থ করা দুষ্কর। মোটামুটি যতটুকু বোঝা যায়, প্রকৃতির বৈশিষ্ট বা গুণাবলি প্রকৃতিগতভাবেই এক সময় অভ্যস্ত হয়ে ওঠে। মানুষের জিনে সেটাই এক সময় সাধারণ নিয়ম বা অভ্যেসে রূপান্তর ঘটায়, আর তাকেই আমরা ‘জেনেটিক‘ বলে বোঝাতে চাই। আপনি যখন ছোটবেলায় পড়া প্রবচন-‘চাচা আপন প্রাণ … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

নবি মুহাম্মদের মৃত্যু রহস্য, একটি ফরেনসিক রিপোর্ট

এইভাবে অন্ততপক্ষে দশজন নিকট আত্মীয়ের পক্ষেই মুহাম্মদকে হত্যা করার কারণ এবং সুযোগ ছিল। যার মধ্যে তিনজন ছিলেন খলিফা পদের সম্ভাব্য অধিকারী বা অধিকারীর পরিবারের লোক। বিবিরা সকলেই ভয় করতেন, কখন মুহাম্মদ তাঁদের তালাক দিয়ে বসেন। এই অবস্থায় মুহাম্মদের মৃত্যুর সম্ভাবনার দায় কেবলমাত্র ইহুদিদের ওপর চাপানো অজ্ঞতার নামান্তর। নবি মুহাম্মদের খুন হবার বাঁকি সম্ভাবনাগুলিও মাথায় রাখা প্রয়োজন।

প্রবাসীনির চোখে মিলিনিয়াম দশকের ঢাকা

আনিসুল হকের লেখা আর মোস্তফা সারোয়ার ফারুকীর পরিচালনায় ব্যাচেলর নামক ছবিটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয় মধ্যবিত্ত দর্শকদের কাছে। ব্যাচেলর সিনেমার ভাষারীতির দ্বারা তরুণ সমাজ ব্যাপক প্রভাবিত হন। প্রমিত ভাষার পরিবর্তে উঠতি লেখকরাও ফারুকী ভাষা ব্যবহারে উৎসাহী হয়ে ওঠেন। নগরজীবনে, স্কুল-কলেজে, নাটকে-সিনেমায় এই ভাষাটির প্রচলন শুরু হয়। সুশীল সমাজে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত মধ্যবিত্তের জীবনের কোথাও এই ভাষারীতিটি রয়ে যায়। এসময় ঢাকাই বাণিজ্যিক ছবি কাজী হায়াৎ এর আম্মাজানও বেশ সাড়া তোলে।

কারবালা যুদ্ধঃ মিথ ও মিথ্যা (৭ম পর্ব)

তখন ধনী ব্যক্তিরা বহু উপপত্নী রাখতেন, সে যুগের সেটাই ছিল রীতি। আল্লাহর স্বঘোষিত শেষ নবি তথা মুহাম্মদেরও অনেক উপপত্নী ছিল। তাঁর উপপত্নীদের মধ্যে মারিয়ার নাম খুবই পরিচিত। একদিন মুহাম্মদের সঙ্গে তাঁর পত্নী হাফসার প্রবল ঝগড়া হয়েছিল ওই মারিয়াকে নিয়েই। সে কথা থাক। নবী মুহাম্মদেরও অনেক উপপত্নী ছিল- এটা উল্লেখ করা আবশ্যক হলো এ কথা বলার জন্য যে উপপত্নী রাখাটা সে সময় দোষের কিছু ছিল না। আর যে মেয়েরা উপপত্নী রূপে কোনো পুরুষের হারেমে থাকতেন তাঁরা খারাপ মেয়ে বা দুশ্চরিত্রা মেয়ে – তা মোটেই নয়। হয় তাঁরা ক্রীতদাসী, না হয় হত-দরিদ্র পিতা-মাতার সন্তান। নিজের ইচ্ছায় কোনো নারীই ওই জীবন বেছে নিতেন না।

বৃষ্টিবন্দনা!

আজ এখানে বৃষ্টিতে খুব ইচ্ছে করছিল খালি পায়ে হাঁটি। কিন্তু এখানে খালি পায়ে হাঁটার জো নেই। কখন কোন জায়গায় দুষ্টু মাতাল বিয়ারের ভাঙা বোতল ফেলে দিয়ে রেখেছে কে জানে! একটু অসাবধান হলেই পায়ের তালু চিড়ে চৌচির হয়ে যাবে। এরপরও মাঝে মাঝে নজরে পড়েছে কিছু উৎসাহী রমণী ইচ্ছে করেই খালি পায়ে হাঁটে। বৃষ্টিভেজা রমণীদের দেখতে ভালোই লাগে।