Author: মহিউদ্দিন আহমদ

রাজনীতির ব্যাকরণ পাল্টে দেন মার্ক্স

১৯৬০ দশকজুড়ে বিশ্বের অনেক জায়গায় নাগরিক আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থান দেখা গেছে। সমাজে, রাজনীতিতে, সাহিত্যে, দর্শনে, সংগীতে, চিত্রকলায় ও মানুষের মনোজগতে বাঁক পরিবর্তন হয়েছে। ওই সময় চীনের একটি বড় ঘটনা হলো ‘সাংস্কৃতিক বিপ্লব’। ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯—এই তিন বছর চীন ছিল উথালপাতাল। চীন নিয়ে পশ্চিমা দুনিয়ায় অনেকেই আগ্রহী হয়ে ওঠেন। আমাদের মতো গরিব দেশগুলোতে চীনপন্থী রাজনীতি নিয়ে … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

ভাষাশহীদের সংখ্যা

ছোটবেলায় স্কুলে পড়ার সময় দুটো শব্দের সঙ্গে পরিচয় হয়: শহীদ দিবস এবং প্রভাতফেরি। শহীদ দিবস হলো একুশে ফেব্রুয়ারি। ১৯৫২ সালের ওই দিনে ঢাকায় কয়েকজন তরুণের বুকের রক্ত ঝরেছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে। প্রতিবছর ওই দিনটি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয়। স্কুল বন্ধ থাকে। সব বয়সের মানুষ ভোরবেলা হাতে ফুল নিয়ে জামায় বা শাড়িতে কালো … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

খালেদা জিয়া নিন্দিত হবেন না সহানুভূতি পাবেন

সপ্তাহজুড়েই জনমনে ছিল টানটান উত্তেজনা। সবাই তাকিয়ে ছিলেন কী হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। এ ধরনের হাই প্রোফাইল মামলা এক-এগারো-পরবর্তী সময়ে এই প্রথম, আর ‘গণতান্ত্রিক’ যুগে দ্বিতীয়। এর আগে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে নিয়ে উত্তাপ ছড়িয়েছিল। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বাংলাদেশের তৃতীয় সরকারপ্রধান, যাঁকে আদালতে দণ্ডিত হয়ে কারাগারে যেতে হলো। প্রথম ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৭৬ সালে। ২৮ নভেম্বর উপপ্রধান … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

ফিরে দেখা পঁচাত্তর: ৭ নভেম্বরের সুরতহাল

  কিছু কিছু দিন আছে, যা নিয়ে জন-আলোচনার শেষ নেই। তেমনই একটি দিন হলো ৭ নভেম্বর। ইতিমধ্যে পেরিয়ে গেছে চার দশক। কিন্তু এই দিনটি ঘিরে এখনো চলছে বিতর্ক। কেননা, ওই দিনে যা ঘটে গিয়েছিল, বাংলাদেশের ইতিহাসে তা রেখে দিয়েছিল স্থায়ী ছাপ। ঘটনাবলির পক্ষ-বিপক্ষ ছিল। এখনো আছে। এ নিয়ে আছে নানা রকমের আবেগ, উচ্ছ্বাস, ভালোবাসা, ঘৃণা … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

আগামী নির্বাচন এবং বিএনপির সংকট

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৩৯ বছর পার করে চল্লিশে পা দিয়েছে। গত ১ সেপ্টেম্বর চার দশক পার করা দলটি জন্মদিন উদ্‌যাপন করেছে মোটামুটি নীরবে। অনেক বছর ক্ষমতার বৃত্তের বাইরে থাকার কারণে দলটির জৌলুশ অনেক কমে গেছে। তারপরও বিএনপি এখন সংবাদ শিরোনাম হয়। কেননা, এ দেশের রাজনীতিতে দলটি এখনো প্রাসঙ্গিক। একাধিকবার সরকার পরিচালনার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন দলটি ভবিষ্যতে … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

‘জাসদের উত্থান-পতন, অস্থির সময়ের রাজনীতি’ এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিবিসি’র সাথে আলোচনা

  আমার লেখা রাজনৈতিক বই ‘জাসদের উত্থান-পতন, অস্থির সময়ের রাজনীতি‘ বই নিয়ে নানান আলোচনা, সমালোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি করেছে বলে জানা যায়। বিবিসি বাংলার সাপ্তাহিক আয়োজন ‘এ সপ্তাহের সাক্ষাৎকার‘ অনুষ্ঠানে অংশ নিই। এখানে আমি রাজনৈতিক দলের ইতিহাসকে ‘নির্মোহভাবে’ তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। বিবিসি বাংলার পক্ষে আমার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আকবর হোসেন। আগ্রহী পাঠকরা পুরো আলোচনার অডিও … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

আমরা কি বিরাজমান বিচার ব্যবস্থায় খুশি?

  লেখালেখি নিয়ে মাঝেমধ্যে সমস্যায় পড়ে যাই। যা লিখতে চাই, তা নিয়ে ভাবলেও কলম নড়ে না। নানা রকম বাধা। ঘাড়ের ওপর ঝুলছে ৫৭ ধারার খড়্গ। আদালত অবমাননার জুজু সব সময় তাড়া করে। সেই যে নাগরিক সমাজের ৪৯ জনএক বিবৃতিতে সই দিতে গিয়ে কাঠগড়ায় দাঁড়ালেন, তারপর থেকেই বুক দুরুদুরু করে—কী জানি কী হয়। গোদের ওপর বিষফোড়া … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

আওয়ামী লীগ কি কৌশল পাল্টাচ্ছে?

রাষ্ট্রক্ষমতার চাবিটি হাতে পাওয়া এ জন্য খুবই জরুরি। এ ক্ষেত্রে ক্ষমতা হলো মাধ্যম বা হাতিয়ার, যা লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করবে। অন্যদিকে ক্ষমতা পাওয়াটাই যদি লক্ষ্য বা অভীষ্ট হয়ে দাঁড়ায়, তখন দলের মধ্যে মনোজাগতিক পরিবর্তন ঘটে যায়। একটানা ক্ষমতায় থাকলে একটি দলের মধ্যে এ ধরনের প্রবণতা দেখা যায়। তাদের মাথায় একটা চিন্তা ঢুকে পড়ে, তাদের বুঝি কোনো বিকল্প নেই, তারা অপরিহার্য।

লক্ষ্য হাসিলের জন্য যেকোনো পথই বৈধ!

ইউরোপীয় সাহিত্যে ফ্র্যাঙ্কেনস্টেইন বলে একটি চরিত্র আছে। আমরা ইউরোপ থেকে যেমন দেবী থেমিস এনেছি; তেমনি এনেছি গণতন্ত্র, ক্রিকেট ও ফ্র্যাঙ্কেনস্টেইন। ইউরোপের আরেকজনকে আমরা রাজনীতির মহাজন হিসেবে পূজা করি। তিনি হলেন ম্যাকিয়াভ্যালির দ্য প্রিন্স। লক্ষ্য হাসিলের জন্য যেকোনো পথই বৈধ, এই অমোঘ সত্য আমাদের রাজনীতিবিদেরা এখন সকাল-সন্ধ্যা জপ করেন। রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের যে স্থূল রাজনীতি, সেখানে সুফি-দরবেশদের জায়গা নেই। আজমির শরিফ গিয়ে কেউ হয়তো খাজা বাবার দরবারে চাদর চড়াবেন ঠিকই, কিন্তু তাঁর জীবনাচরণ কিংবা দর্শনকে ভাবজগতে ঠাঁই দেবেন না। কারণ, রাজনীতিতে সুফিবাদের জায়গা নেই।

রাজনীতির ইফতার, ইফতারের রাজনীতি

কয়েক দিন পরই শুরু হবে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে মক্কা যাওয়ার তোড়জোড়। শুনেছি, ওখানে গিয়ে দুই দলের অনেক নেতাই একসঙ্গে ইফতার করেন, কাবা শরিফ তওয়াফ করেন। কিন্তু দেশের ভেতরে প্রকাশ্যে এটা সম্ভব নয়। তবে গোপনে মেলামেশা চলছে অবাধেই। দুই তরফের মধ্যে বিয়েশাদির এন্তেজামও হচ্ছে। রাজনীতির মাঠে প্রবল শত্রু, কিন্তু ভেতরে-ভেতরে পরমাত্মীয়, এমন উদাহরণ আছে অনেক।