Author: ইসহাক খান

শিশুদের প্রতি মানবিক হোন

আমার একজন ফেসবুক বন্ধু আমার সঙ্গে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। ভিডিওটি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সংবাদের চুম্বক অংশ। কী আছে ওই ভিডিওতে? আট বছরের একটি শিশু ইব্রাহিম, ওর সত্বাবার কাছে চিপস খাওয়ার আবদার করেছিল। ওর সত্বাবা চিপস দেওয়ার নাম করে ওকে ডেকে বাইরে এনে ধারালো দায়ের এক কোপে ডান হাতটা কেটে ফেলে। ইব্রাহিম কাঁদতে কাঁদতে সত্বাবাকে … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

আমার বাবা (৩য় পর্ব)

  এপ্রিলের মাঝামাঝি এক রাতে আমার মেজো দুলাভাই রফিকুল আলম রাইফেলসহ পালিয়ে এলেন আমাদের বাড়িতে। তিনি তখন রাজশাহীতে ইপিয়ার বাহিনীতে চাকরি করতেন। প্রতিরোধ যুদ্ধে টিকতে না পেরে সবাই যার যার মতো পালিয়ে আত্মরক্ষা করেছেন। আমার মেজো বোন তখন আমাদের বাড়িতে। সে স্বামীর জন্য ব্যস্তভাবে রান্না চড়িয়ে দিয়েছেন। সবই হচ্ছে অতি গোপনে, নিঃশব্দে। তারপরও আমার ঘুম … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

আমার বাবা (২য় পর্ব)

  (পূর্ব প্রকাশিতের পর) উল্লাপাড়া শ্যমলীপাড়া বাসস্ট্যান্ডে বাবাকে নিয়ে বাসে উঠলাম। তখনো যমুনায় বঙ্গবন্ধু সেতু হয়নি। আমাদের নগরবাড়ি হয়ে ফেরিতে আরিচা এসে ঢাকার পথ ধরতে হবে। বাসের একপাশে তিন সীট অন্যপাশে দুই সীট। আমি তিন সীটের টিকেট কিনেছি। এতো পথ বাবা বসে যেতে পারবেন না। প্রয়োজনে তিনি যেন আমার কোলে মাথা রেখে শুতে পারেন। এই … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

দ্রোহের কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

রুদ্রর দিকে তাকিয়ে আমি চমকে উঠলাম। ওকে দেখে আমার বুক ভেঙে আসছিল। ওর নাকেমুখে অনেক নল ঢুকানো। কথা বলা বন্ধ। খাওয়াও নল দিয়ে। আমাকে দেখে চোখের ইশারায় কাছে ডাকল। আমি এগিয়ে কাছে যেতে ওর চোখজোড়া স্থির হয়ে গেল। তারপর সেই স্বপ্নবান চোখজোড়ায় অঝোরে জল গড়াতে লাগল। দেখে আমার বুক ফেটে কান্না উঠে আসতে লাগল। ওর মতো তেজি তরুণের চোখে জলনিশ্চয়ই ওর ভীষণ কষ্ট হচ্ছে। সেই কষ্ট যেন আমাকেও ছুঁয়ে যেতে লাগল। আমিও চোখের জল ধরে রাখতে পারলাম না। আমাদের নীরব কান্না পুরো কেবিনটাকে বেদনায় ভারাক্রান্ত করে তুলল। ওর কষ্ট আমি সহ্য করতে পারছিলাম না। আমার মনে হচ্ছিল, আমি যেন কোথাও পালিয়ে যেতে পারলে বাঁচি।

আমার বাবা (১ম পর্ব)

মুক্তিযুদ্ধ থেকে ফিরে আসার পর বাবার সঙ্গে আমার দূরত্ব কমতে থাকে। তারপরতো তিনি আমার বন্ধু হয়ে যান। সে কাহিনী আরেক পর্বে। তবে আমার কাছে মনে হয়েছে, পিতার সঙ্গে যে সন্তানের বন্ধত্ব হয় সেই সন্তানই প্রকৃত ভাগ্যবান।