Author: কনফুসিয়াস

আদম ও হোমোসেপিয়েন্স

ইসলাম যে একমাত্র সত্য ধর্ম এবং বৈজ্ঞানিক ধর্ম, এই বিষয়ে কোনও মুসলমানের মনের মধ্যে বিন্দু পরিমাণ সন্দেহ নাই। সে মুসলমান একজন মুসলিম স্কলার হোন, ইমাম হোন, আর ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ক্যামিস্ট, পদার্থ বিজ্ঞানী থেকে ইতিহাসবিদ বা প্রত্নতত্ত্ববিদ যেই হোন। তারা সকলেই একমত যে ইসলামই হচ্ছে পৃথিবীর একমাত্র সত্য ও বিজ্ঞানসম্মত ধর্ম। এটা প্রমাণিত। অবশ্য কোথায় যে … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

প্রাচীন বাংলা ও বাংলাদেশে ইসলামাইজেশন (শেষ পর্ব)

আল-মিকদাম-বি-মাদিকারিব বর্ণনা করেছেন, একদা রসুলুল্লাহ বলেন-শহীদেরা আল্লাহ’র কাছ থকে ছয়টি ভাল জিনিশ লাভ করেঃ “(১) প্রথম ফোটা রক্ত ঝরতেই তার সমস্ত পাপ মোচন হয়ে যায়, (২) তাকে তখনি বেহেস্ত দেখানো হয় (৩) তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করা হয় (৪) তাকে ভয়ংকর ত্রাস থেকে রক্ষা করা হয় (৫) তার মাথায় দামী মুকুট পরানো হয় যার … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

প্রাচীন বাংলা ও বাংলাদেশে ইসলামাইজেশন (১৪ তম পর্ব)

বাম রাজনীতি যারা করেন, তারা সব কিছুতেই আমেরিকা আর ভারতের চক্রান্ত দেখেন। কিন্তু মোহাম্মদ বিন, কাশেম, ঘোরী, গজনী, খিলজি, তৈমুর, বাবর, তিতুমীর, ফরায়াজি, এদের সময় আমেরিকা কই ছিলো? মৌদুদি কী তার বই সিআইএ-র অফিসে বসে প্রিন্ট আউট করেছিলো। মুসলিমদের পূর্ব-পুরুষরা তাদের সময় যা করেছে- ঠিক একই কাজ বর্তমান কালের জঙ্গিরাও করছে। খেলাফত প্রতিষ্ঠার চেষ্টা। ১৯২৪ … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

প্রাচীন বাংলা ও বাংলাদেশে ইসলামাইজেশন (১৩ তম পর্ব)

ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক মার্কিন এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও বিভিন্ন নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর ওপর সহিংসতা বেড়েছে। সংখ্যালঘুরা হিংস্র এবং মারাত্মক আক্রমণের শিকার হচ্ছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, ধর্মীয় সংখ্যালঘু বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব হামলার বেশিরভাগই জামা’আতুল মুজাহেদীন বাংলাদেশ (জেএমবি), আনসার আল-বাংলাদেশ ও ইসলামিক স্টেটের (আইএস) মতো জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর বলে দাবি … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

প্রাচীন বাংলা ও বাংলাদেশে ইসলামাইজেশন (১২তম পর্ব)

পুলিশ সাধারণত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্ষণের শিকার হওয়া কাউকে ধর্ষণকারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করতে দেয় না। যদি ধর্ষণের শিকার কেউ থানায় গিয়ে অভিযোগ করে তাহলে পুলিশ নড়াচড়া করতে কয়েকদিন দেরী করে যাতে ধর্ষণের আলামত নষ্ট হয়ে যায়। তারপর পুলিশ কর্মকর্তারা নিজেরা ধর্ষিতাকে সাজা দেয়। মামলার চেষ্টা করলে ধর্ষিতাকে হত্যা অথবা অপহরণের হুমকি দেওয়া হয়। (দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৬ … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

প্রাচীন বাংলা ও বাংলাদেশে ইসলামাইজেশন (১১তম পর্ব)

সামাদ হত্যার পর সরকারের অবস্থান সর্বশেষ ঢাকায় অ্যাক্টিভিস্ট নাজিমুদ্দিন সামাদ হত্যাকাণ্ডের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে বলেন, ‘‘মুক্তচিন্তার নামে কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া বিকৃত রুচি ও নোংরা রুচির পরিচয়৷” পাশাপাশি তিনি এ ধরনের লেখালেখির কারণে হামলার শিকার হলে তার দায় সরকার নেবে না বলেও জানিয়েছেন৷ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনাকে শ্রদ্ধা করি আপনি আমার … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

ঈশ্বরে অবিশ্বাস ও বাংলাদেশ

বাংলাদেশে বসবাস করা যারা নাস্তিক ও সেক্যুলার চিন্তার মানুষ, যারা পরিবার বা সমাজ থেকে চাপিয়ে দেয়া ধর্মে বিশ্বাসী নই। তাদের এই দেশের নাগরিক হিসেবে পরিচয় কী এই বিষয়টি আমাকে ভাবিয়ে তোলে। আমি আমার নাগরিক পরিচয়পত্রে, পাসপোর্টে অথবা সরকারি-অসরকারি যে কোনও প্রতিষ্ঠানে- যখন কোনও ফর্ম ফিলাপ করতে যাই, যেখানে আমার একটি ধর্মীয় পরিচয়ের ঘর ফিলাপ করতে … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

প্রাচীন বাংলা ও বাংলাদেশে ইসলামাইজেশন (১০তম পর্ব)

জঙ্গিবাদী কার্যক্রমে নজরদারি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে ২০০৯ সালের ২০ এপ্রিল গঠন করা হয় জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ এবং প্রতিকার কমিটি। তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন কমিটিতে সদস্য হিসেব রাখা হয় স্বরাষ্ট্র, শিক্ষা, আইন, ধর্ম, সমাজকল্যাণ, স্থানীয় সরকার, তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব। এছাড়া পুলিশ, ডিজিএফআই, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, মহাপরিচালক (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়), র‌্যাব প্রধান, পুলিশের বিশেষ শাখার অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ও … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

প্রাচীন বাংলা ও বাংলাদেশে ইসলামাইজেশন (৯ম পর্ব)

সরকার ২০০৯ সালের ২২ অক্টোবর ‘জননিরাপত্তার স্বার্থে’ হিযবুত তাহ্‌রীরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এরপর সংগঠনটির বেশ কিছু সদস্য গ্রেপ্তার হন। তবে তাঁদের কার্যক্রম বন্ধ হয়নি। শুরুর দিকে সদস্যদের অনেকে লেখাপড়া শেষ করে বিভিন্ন ইংরেজিমাধ্যম স্কুল ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার চাকরি নিয়েছেন। এঁরা সদস্য সংগ্রহে একটা বড় ভূমিকা রাখেন বলে অভিযোগ আছে। জামাআতুল মুসলেমিন: হিযবুত তাহ্‌রীরের অনেকটা … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

প্রাচীন বাংলা ও বাংলাদেশে ইসলামাইজেশন (৮ম পর্ব)

জেএমবি সাড়ে চার বছরে (সেপ্টেম্বর ২০০১ থেকে ডিসেম্বর ২০০৫) দেশে ২৬টি হামলা চালায়। এসব ঘটনায় ৭৩ জন নিহত এবং প্রায় ৮০০ জন আহত হন। একই সময়কালে হরকাতুল জিহাদও (হুজি-বি) বেশ কয়েকটি নাশকতামূলক হামলা চালায়। সব মিলিয়ে তখন দেশে এক ভয়ংকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। পাকিস্তান-আফগানিস্তানকেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন হুজি ও জেএমবির মধ্যে ধর্মীয় মাজহাবগত পার্থক্য রয়েছে। … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]