Author: শুভাশিস চিরকল্যাণ পাত্র

ভগবান, ঈশ্বর ও ব্রহ্ম

ভগবান, ঈশ্বর ও ব্রহ্ম ভগবান, ঈশ্বর ও ব্রহ্ম এক নয়। শব্দগুলির অর্থের পার্থক্য আছে। এখানে বিষয়টি খুব সংক্ষেপে বলব। আজকাল কিছু কিছু স্বঘোষিত মুক্তমনা ব্যক্তি এই শব্দগুলি নিয়ে খুবই তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছেন, যা বিরক্তিকর এবং যুক্তিবাদী আন্দোলনের পক্ষে ক্ষতিকারক।যেমন ওরা বলেন ভগ মানে যোনি, তাহলে ভগবান মানে ‘যোনিবান’। কেউ কেউ বলেন যে, তাহলে ভগবান মানে তো … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

মহাভারতের কথা

মহাভারত একটি অতুলনীয় গ্রন্থ। কুরুক্ষেত্রের মাঠে সংঘটিত কুরুপাণ্ডবের যুদ্ধই এর প্রধান কাহিনী। আধুনিক যুক্তিবাদী পাঠকের উপযোগী করে তার তাৎপর্য্য এখানে সংক্ষেপে আলোচনা করব। মহাভারতে ধৃতরাষ্ট্র ও পাণ্ডু নামে দুই রাজার কথা আছে। ধৃতরাষ্টের দুর্য্যোধন, দুঃশাসন প্রভৃতি শতপুত্ত্রের নাম ছিল কৌরব। তার ভ্রাতা পাণ্ডুর ছিল যুধিষ্ঠির, ভীম, অর্জ্জুন প্রভৃতি পাঁচ পুত্ত্র, তারা পাণ্ডব নামে পরিচিত। ধৃতরাষ্ট্র … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

মদনভস্ম

  ক্রিয়াভিত্তিক নিয়মে পৌরাণিক মদনভস্মের কাহিনীর তাৎপর্য্য ব্যাখ্যা করছি। এজন্য – রতি, সুরত, আরতি, মদন, কাম, কামসূত্র ইত্যাদি শব্দগুলির ক্রিয়াভিত্তিক অর্থ বুঝতে হবে। সুরত মানে শুধু যৌন মিলন নয়, যেকোনো কাজে ভালভাবে রত হওয়াই সুরত। আরতি মান চলমান সুরতি, কর্ম্মে রত কর্ম্মী। পূজায় যে আরতি করা হয় তা ভালবাসা ও শ্রদ্ধা সহকারে কর্ম্মে রত হওয়ারই … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

আস্তিকতা ও নাস্তিকতার মিলন কি সম্ভব

    ভারতবর্ষে নাস্তিকতা আস্তিকতার মতোই পুরাণো। আদিতে নাস্তিকতা শব্দটি একটু নিন্দনীয়ই ছিল। বর্ত্তমানে এই শব্দটি নিন্দনীয় নয়, যদিও কেউ কেউ এখনও নাস্তিকদের অপছন্দ করেন। আজকাল নাস্তিকদের সংখ্যা বাড়ছে এবং অনেকে নিজেকে নাস্তিক বলতে লজ্জা পান না। আমি বাংলা ব্যাকরণ ও নিরুক্তর আলোয় আস্তিকতা ও নাস্তিকতা সম্বন্ধে যেমন বুঝেছি তা এখানে তুলে ধরব এবং সম্ভব … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

দুর্গা ও মহিষাসুরের কথা

  আগে মহিষাসুরের কথাই বলি, কারণ তিনিই আদি। মহিষ ও অসুর যোগ করলে মহিষাসুর হয় (মহিষ + অসুর = মহিষাসুর)। মহিষ শব্দের অর্থ বলি। মহ ও ঈষ জুড়ে মহিষ হয় (মহ + ইষ = মহিষ)। ‘মহ‘ মানে সমগ্র, অখণ্ড, যৌথ, বিশাল; আর ‘ইষ‘ মানে ইচ্ছা [সরল শব্দার্থকোষ]। ‘ইষ‘ শব্দে যে ইচ্ছা হতে পারে তা ইষ্টদেবতা, … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

বিষ্ণুর বরাহ অবতারের তাৎপর্য্য

  বর এবং আহ জুড়ে বরাহ শব্দটি নিষ্পন্ন হয় (বর+ আহ =বরাহ)। এখানে আহ মানে আঘাত করা। যিনি বরণীয় আঘাত হানতে পারেন তিনিই বরাহ। শূয়ার নামক প্রাণীটির দাঁতে খুব জোর বলে দাঁত দিয়ে জমি থেকে মূল তুলে ফেলার কাজে শুয়ারকে লাগানো হয় (বরণ করা হয়)। এই জন্যই শূয়ারকে বরাহ বলে। তবে বরাহ শব্দে প্রথমেই শূয়ার … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

বাঙালীর বানান ভাবনা: প্রাচীন ও আধুনিক

  বাঙালী তার ভাষাকে ভালোবাসে। শুদ্ধ ভাষা ও শুদ্ধ বানান আমাদের মনকে শুদ্ধ করে। কিন্তু দুঃখের বিষয় যে সম্প্রতি বাংলা বানান নিয়ে নানা সমস্যা চলছে এবং তার ফলে আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতির যারপরনাই ক্ষতি হচ্ছে। সমস্যাগুলির সমাধানের জন্য পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের বাংলা অ্যাকাডেমী দুটির কর্ত্তারা নানা রকম নিয়মনীতি চালু করেছেন। বাংলাদেশে ‘প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম’ … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

প্রাচীন ভারতবর্ষের বুকে তরুণ পুঁজির উদ্ভব

পুঁজির কথা বলি তখন কোনো কোনো পাঠক ইউরোপের শিল্পবিপ্লব এবং আধুনিক শিল্পপতিদের পুঁজির কথা ভেবে বসেন এবং তার ফলে আমার বক্তব্য বুঝতে তাদের অসুবিধা হয়। ইউরোপ যখন পুঁজিকে দেখছে এবং কার্ল মার্কস যখন ‘পুঁজি’ গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন তখন পুঁজি অনেক বড় হয়ে গেছে। প্রশ্ন : পুঁজির আদিম উদ্ভব কোথায় হয়েছিল? এই বিষয়ে কোনো লিখিত ইতিহাস … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

ভারতীয় ঐতিহ্যে নাস্তিকতা

“ভারতে আর দশটা ধর্ম্মের মতো নাস্তিক্যও একটি ধর্ম্ম এবং তার জন্ম হয়েছে আস্তিক্যর প্রায় সমবয়স্কতায়।” -শ্রীনৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী সামাজিক মাধ্যমে জনৈক বন্ধু মন্তব্য করেছেন যে নাস্তিকদের কোনো জায়গা নাই। আরও কেউ কেউ এমনটা ভেবে থাকতে পারেন। কেউ কেউ মনে করেন পৃথিবীর সবাই আসলে আস্তিক এবং কোনো মানুষ নাস্তিক হয়ে বেঁচে থাকতে পারে না। আমি এদের কথার … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

নাস্তিকের সরস্বতী-ভাবনা

সরস্বতী সম্বন্ধে ভাল করে না জেনে হুজুগে মেতে সরস্বতী পূজা এবং ভক্তিহীন সরস্বতীপূজা করা অর্থহীন। এই নিয়ে একটা গল্প বলছি। বছর দশেক আগে এক সরস্বতী পূজার দিনে আমি একটি কলেজে (কলেজটার নাম উহ্য রইল) জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ে একটি সেমিনার করতে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখি ছাত্রছাত্রীদের সেমিনারের দিকে মন নাই, সবাই উসখুস করছে, যেন কোনো তাড়া আছে। তাড়ার কারণটা একটু পরেই বোঝা গেল…

Posts navigation