Author: অর্পিতা রায়চৌধুরী

একজন নির্বাসিত মানুষ।

আসিফা হত্যা, সভ্যতা যেখানে লজ্জিত

পৃথিবীর সুন্দরতম দৃশ্যগুলোর মধ্যে মানবশিশুর হাসি অন্যতম। অনন্য সে হাসি। অন্য কোনকিছুর সাথেই যার কোন তুলনা হয়না। যা মুহুর্তের জন্য হলেও সকল দুঃখ-কষ্ট, গ্লানি ভুলিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। সে হাসির একমাত্র অধিকারী নিষ্পাপ মুখগুলো আরও অনেক বছর এই জীর্ণশীর্ণ, পাপে ভরপুর পৃথিবীতে আমাদের প্রবীনদের বেঁচে থাকার আশা জাগায়। সে হাসি রক্তের সম্পর্কের কারোর হোক বা … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

হ্যান্ডসাম হার-এ পুরুষদের করুণ পরিণতি

অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে অবস্থিত ‘হ্যান্ডসাম হার’ নামের একটি রেস্তোরাঁ চলতি মাসের শুরুতে চালু হয়েছে।  এখানে প্রবেশের পরই চোখে পড়বে একটি কালো বোর্ড। এটি ইটের ওপর দাঁড় করানো আছে। আর এ বোর্ডেই লেখা আছে রেস্তোরাঁর নিয়মকানুন। এতে লেখা হয়েছে, গ্রাহক নারী হলে আগে সেবা পাবেন। তবে পুরুষ হলে সেবা শুধু একটু পরে পাবেন তাই নয়, তাদের বিলও … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

ধর্মনিরপেক্ষতা ও নারী অধিকার

কোন ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষিত সমাজে নারীদেরকে কখনই পুরুষের দাসী হিসেবে ব্যবহার বা তাদের সম্পর্কে সেরকম ধারণাও পোষণ করা হয়না এবং কেউ সেটা করলেও তার জন্য রয়েছে কঠোর আইন। কোন নারীকে ডাইনী-বুড়ি, ব্যাভিচারিণী, অপয়া, অসতী, সতী ইত্যাদির দোহাই দিয়ে কখনো পাথর ছুঁড়ে বা পুড়িয়ে মারা হয় না। অথচ ধর্মান্ধ দেশগুলোতে অহরহই এসবের নজির পাওয়া যায়।

ক্যারন আর্মস্ট্রং-এর ইসলাম গ্রন্থের রিভিউ

১৮০০ শতক থেকে পাশ্চাত্য সভ্যতার উত্থান এবং রাজনৈতিক প্রতিপত্তি বৃদ্ধির সাথে সাথে মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীনতা বাড়তে শুরু করে। তারওপর মধ্য এশিয়াতে কোনো আধুনিক গণতন্ত্রভিত্তিক মুসলিম রাষ্ট্রই সফল হয়নি। রাজনৈতিক অস্থিরতা ধর্মীয় কূপমণ্ডুকতার সৃষ্টি করতে থাকে, পরিণামে মুসলিম মৌলবাদের উত্থান।  বইটিতে মৌলবাদের ওপরেও একটি সম্পূর্ণ পরিচ্ছেদ আছে। যেখানে ইসলামি মৌলবাদের উৎপত্তির বিভিন্ন কারণ বর্ণনা করা হয়েছে। পাশাপাশি এটাও দেখানো হয়েছে যে, এমন নয় যে, কেবল ইসলামেই মৌলবাদীদের আনাগোনা রয়েছে।  সকলের বইটি পড়া উচিত।

সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের সম্মান বাতিল করার সুপারিশ ইউনেস্কোর

সুন্দরবনের বিশ্ব ঐতিহ্যের সম্মান বাতিল করে তাকে ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করেছে জাতিসংঘের ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য কেন্দ্র। এর জবাবে জ্বালানি,খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, সুন্দরবন বিশ্ব ঐতিহ্য থাকবে কী থাকবে না, তা ওই মন্ত্রণালয় দেখবে।

সনাতন ধর্মে সিঁদুর প্রথা (পর্ব-২)

সিঁদুর পরার পেছনের সামাজিক ও ঐতিহাসিক এই সত্যকে উপলব্ধি করে যে নারী সুস্থ সুন্দর দাম্পত্য সম্পর্কের পাশাপাশি সিঁদুরকে বর্জন করেন তিনি অবশ্যই অভিনন্দনযোগ্য। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে এমন মুক্তমনা সচেতন মেয়েকে অভিনন্দন জানানোর চেয়ে আমাদের চারপাশের গড্ডালিকা স্রোতে ভেসে চলা মানুষ তাঁকে সন্দেহের চোখে দেখতে থাকে। সিঁদুর না পরা কোন বাঙালি নারী যখন ইউরোপ-আমেরিকায় যান, তখন তাঁকে এমন নোংরামির মুখোমুখি হতে হয়না। কিন্তু ভারতবর্ষের পরিবেশ-পরিস্থিতিতে একজন মুক্তমনা সিঁদুরহীন নারীকে প্রচণ্ড অপমানিত হতে হয়।

সনাতন ধর্মে সিঁদুর প্রথা (পর্ব-১)

বিবাহিতা নারীদের সিঁদুর পরাকে অনেকেই আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ধর্মীয় পরিচয়ের অঙ্গীভূত হিসেবে গণ্য করেন। খাওয়া-দাওয়া, পোশাক-আশাক, আচার-অনুষ্ঠান, গান-বাজনা, ইত্যাদি নানা কিছু নিয়ে বিশেষ জনগোষ্ঠীর যে তথাকথিত নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বেড়ে উঠে, তার একটি ক্ষুদ্র অংশ এই সিঁদুর পরা। এই সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ছবি চিরন্তন কিছু নয়। সময়ের সঙ্গে তা পাল্টায় এবং একসময় অপ্রাসঙ্গিক ক্ষতিকর হয়ে উঠলে তা সক্রিয়ভাবে পাল্টানো উচিত। সিঁদুর পরার ক্ষেত্রে ব্যাপারটিকে এভাবে পরিবর্তিত বা অবলুপ্ত করার প্রয়োজনীয়তা সার্বিকভাবে অনুভূত নয়। তাই তা লোকাচার বা লোক সংস্কৃতি, যেভাবেই হোক না কেন টিকে আছে।

ওড়না নারীর সম্ভ্রম নয়, মরণফাদ

অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হয় এদেশের নারীদের পোশাকে আমি স্বাধীনতার ছিটেফোটাও দেখিনা, দেখিনা নারী-পুরুষের সম-অধিকারের কোন ছাপ। এদেশে পোশাক মানুষকে ধনী-দরিদ্র, উচু-নিচু, নারী-পুরুষের ক্যাটাগরিতে ফেলার পাশাপাশি আরেকটি প্রধান যে ক্যাটাগরিতে ফেলে সেটি হলো ভালো এবং মন্দ ক্যাটাগরি। পুরুষশাসিত, ধর্মান্ধ বাঙালি সমাজ এই ক্যাটাগরিটি মূলত নারীদের জন্যই বিশেষভাবে তৈরি করেছে।

ডেডলাইন টুয়েন্টি টুয়েন্টিওয়ান

বেহেস্তের কথা শুনে গণেশের বুকের ভিতরটা ঘৃণায় রি রি করে উঠল। সে ভাবতে লাগল বেহেস্তে ওর মেয়েরা বায়ত্তর জন নেংটু মেয়েদের সাথে মিলেমিশে মুসলমান পুরুষদের যৌনসেবা করে বেড়াবে। সে নিজেকে প্রশ্ন করলো, এ কেমন বিচার? বেঁচে থাকতেও মেয়েগুলোর অপমান, আবার মরে গেলেও বেহেস্তের অপমান!

শ্রীজাত ব্র্যান্ডের কনডম বিপণনে আর কোন বাধা নেই

ওহ্, এই ঘটনা? এখানেতো কবির কোন দোষ দেখতে পাই না। এর জন্য দায়ি ওই ঝড়। অর্ডার-অর্ডার, আদালত এই মর্মে নির্দেশ দিচ্ছে যে, অনুভূতির ঝড়কে অবিলম্বে আদালতে হাজির করা হোক। এবং কবি শ্রীজাতের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগসমূহ খারিজ করা হলো। আদালত এই মর্মে নির্দেশ দিচ্ছে, শ্রীজাত ব্র্যান্ডের কনডম বিপণনে আর কোন বাধা নেই।

Posts navigation