Author: মনজুরুল হক

কোটাসংস্কার আন্দোলন ও কিছু অপ্রিয় কথন

প্রথম দফার আন্দোলন শেষ হয়েছিল অকস্মাৎ প্রধানমন্ত্রীর কোটা বাতিলের ঘোষণায়। তার আগে কেন কিভাবে এই আন্দোলন শুরু হয়েছে সে কথার পুনরাবৃত্তি করছি না সঙ্গত কারণে। মোটা দাগে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের দাবী দেশে প্রায় ৫৬% কোটা বহাল থাকায় মেধাবী শিক্ষার্থীরাও শিক্ষা শেষে চাকরি পাচ্ছেন না, তাই কোটা সংস্কার করতে হবে। সেই সংস্কারগুলো হচ্ছে- ১. কোটাব্যবস্থা সংস্কার করে … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

আমনূরা রেলইস্টিশন ও পদ্মবিলের মাতালগন্ধী বকপাখি

সেসময় আমাদের মত নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষদের বাড়ি বদলাতে ট্রাক-লরি লাগত না। রিকশা বা ট্রেন-বাসেই চলে যেত। বাবার চিঠি পেয়েই দর্শনা থেকে গিয়েছিলাম চুয়াডাঙ্গা। তখনো শীত পড়েনি। ভোরের দিকে একটু-আধটু ঠাণ্ডা লাগে। মাঝ হেমন্ত। বাক্সো পোটরা, বোঁচকা-পোটলা, হাড়ি-পাতিল, ঘটি-বাটি, বিছানা-বালিশ, লেপ-কাঁথা বাধাছাদা শেষ হলে রিকশায় চলে যাই ইস্টিশনে। ট্রেন যাবে উত্তরে। পাখা পড়ল। ঘণ্টা দিল। তারপর সকলেই … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

জোসেফ স্তালিনকে নিয়ে আবারও সেই পুরোনো ঘ্যানঘেনে বহুল চর্চিত মিথ্যাচার ও তার জবাব

  পত্র-পত্রিকায় কতগুলি সাধারণ বিষয় থাকে যার একটি ‘ইন্ট্রো’। যে কোনো লেখার ‘ইন্ট্রো’ দেখেই সারাংশের মোটামুটি ধারণা মেলে। গত ১২ আগস্ট বাংলাদেশ প্রতিদিনে জনাব সাইফ ইমন এর ‘স্টালিনের করুণ পরিণতি’ নামে একটি অটোবায়োগ্রাফ/প্রতিবেদন/প্রবন্ধ ছাপা হয়েছে, যার ইন্ট্রো পড়েই যে কেউ বুঝে নিতে পারবেন লেখাটি নিকৃষ্টমানের, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, কুৎসা রটনা এবং বিদ্বেষপ্রসূত, তদুপরি ইতিহাসের বিকৃতি। কারো সমালোচনা করতে … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

বইয়ের দোকানের ‘ক্যাফে’ হওয়ার জাত-বেজাত!

    কিছুদিন আগে বেশ ঘটা করে উদ্বোধন হয়েছে আধুনিক বুকশপ ক্যাফে ‘দীপনপুর’ এর। ঢাকার এলিফ্যান্ট রোডে প্রায় ২৮০০ বর্গফুটের এই বুকশপ ক্যাফে দীপনপুরের প্রায় পুরোটা জুড়ে রয়েছে বই। বই কেনার পাশাপাশি এক কাপ চা বা কফি খেতে খেতে বই পড়ার চমৎকার ব্যবস্থাও রয়েছে ক্যাফেটিতে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এবং ওয়াইফাই সুবিধা সম্বলিত দীপনপুরে ছোটদের বই নিয়ে … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

বিপ্লবের ইতিহাসে ২৮ জুলাই

চার্লস ডারউইন এবং হেনরি ল্যুইস মরগান যাকে ‘ন্যাচারাল সিলেকশন‘ বলছেন তার সরল বাংলা ভাবার্থ করা দুষ্কর। মোটামুটি যতটুকু বোঝা যায়, প্রকৃতির বৈশিষ্ট বা গুণাবলি প্রকৃতিগতভাবেই এক সময় অভ্যস্ত হয়ে ওঠে। মানুষের জিনে সেটাই এক সময় সাধারণ নিয়ম বা অভ্যেসে রূপান্তর ঘটায়, আর তাকেই আমরা ‘জেনেটিক‘ বলে বোঝাতে চাই। আপনি যখন ছোটবেলায় পড়া প্রবচন-‘চাচা আপন প্রাণ … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

দুই এক্কে দুই দুই দুগুণে পাঁচ

যখন খুব মন খারাপ হয় তখন ফ্ল্যাশব্যাকে ভাবি…। আমাদেরকে ভাবতে হয়। আমরা যে সময়ের প্রজন্ম তখন মানুষ ভাবত। ভাবার পোজে সেলফি তুলত না। আমাদের সময়টা ছিল কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া আর ছাতিমে মাখানো। আকাশে একচিলতে মেঘ দেখলেই সে সময়কার নিরেট মানুষটিও বিড় বিড় করে উঠত- শেষ বিকেলে মন খারাপ মানেই আকাশে মেঘ করেছে…। ঘন কালো মেঘ করেছে…। … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

ইতরের দেশে ফেরা…

ট্রেন থেকে মালপত্তরসমেত নেমে ইমিগ্রেশনে দাঁড়াতে হবে, এটাই নিয়ম। ঘরটার বড় খোলা দরজার দুপাশে দুই পুলিশ দাঁড়িয়ে। মাঝের ফুট দেড়েক জায়গা দিয়ে গিজগিজ করে লোকজন ঢুকছে। পুলিশদ্বয় নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাইকে গায়ে হাত দিয়ে ভেতরে ঠেলে দিচ্ছে! কাউন্টারের কাজ শেষ হওয়ার পর আরও একটি কলাপসিবল গেটের সামনে শত শত মানুষ গিজ গিজ দাঁড়িয়ে! গরম ও উত্তেজনায় দর দর করে ঘামছে সবাই। প্রায় সবারই পিঠে, হাতে, কাঁধে ব্যাগ। নারীদের হাতে/ঘাড়ে ব্যাগের সাথে বাচ্চার হাত। গেট খুলছে না। কারণ? কারণ সবাই মালপত্তর নিয়ে নেমেছে কী না সেটা চেক করার জন্য পুলিশ/ কাস্টমসের লোকজন ট্রেন চেক করতে গেছে! চেক শেষ হলে তারা এসে তবেই গেট খুলে মালপত্তর চেক করবে!

কার্ল হাইনরিশ মার্কস এর ২০০ তম জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি

শ্রদ্ধাবনত হই বিশ্বকে এক হ্যাচকা টানে বদলে দেয়া এই মহান নেতার প্রতি। যতদিন এই প্লানেটে মানুষ মানুষকে শোষণ করবে, শাসন করবে, উদ্বৃত্ত মূল্য নিয়ে পুঁজি ফুলে-ফেঁপে উঠবে, মানুষের মানবিক সকল গুণাবলি শোষণ আর বঞ্চনায় কর্পূরের মত উবে যেতে থাকবে, সাম্যের আকাঙ্খায় মানুষ এক থেকে দুই হবে, দুই থেকে দু’লক্ষ হবে, তারপর কোটি কোটি হবে। তারা জীবনকে হাতে নিয়ে অন্য জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসবে। মরবে, বাঁচবে, ফের মরবে এবং জীবনীশক্তি থাকা অবধি লড়াই চালিয়ে যাবে, ততদিন আপনার অমোঘ ব্রম্মাস্ত্র ‘ডাস ক্যাপিটাল’ তাদের পাথেয় হয়ে থাকবে। সেই সাথে শোষকের দিকে তাক করা থাকবে অপরিমেয় অজেয় শক্তির আধার হিসেবে। জয়তু কার্ল মার্কস।