Author: আলমগীর হুসেন

মুসলিম আমলে বাংলায় হিন্দু মন্দির ও মূর্তি ধ্বংসকরণের চিত্র

পূজোর মৌসুম, মূর্তি ভাঙ্গার মৌসুমঃ  পূজার মৌসুম চলছে বাংলাদেশে, চলছে সেই সাথে মুসলমানদের মূর্তি ভাঙ্গার মৌসুম। মুসলমানদের মাঝে মূর্তি ভাঙ্গার এ প্রবণতা সম্পর্কে প্রশ্ন তুললেই সুশীল মুসলমানরা বলে, ইসলাম শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম। ইসলামে ধর্মীয় ঘৃণা ও বিদ্বেষের কোন স্থান নেই। বাংলায় ইসলাম এসেছিল শান্তি ও সম্প্রীতির বাণী নিয়ে। ইসলামের মাহাত্মে অভিভূত হয়ে বাংলার হিন্দু, … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

গো-পূজারী থেকে গো-খাদকঃ ভারতবর্ষীয় মুসলমানদের মাঝে গোমাংস ও গো-কোরবানী প্রিয় হয়ে উঠার রহস্য

ভারতবর্ষীয় মুসলমানদের গোমাংস প্রীতিঃ গ্রাম্য পরিবেশে পরিবেশে বড় হয়েছি। আমাদের পরিবারে আমিষ জাতীয় খাদ্যের মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় মাছ, তারপর মুরগী ও খাসীর মাংস এবং সবচেয়ে কম পছন্দের হচ্ছে গোমাংস। ভাবতাম বাংলাদেশের সবার পছন্দ সম্ভবত একই। কিন্তু অবাক হই ১৯ বছর বয়সে পড়াশুনার জন্য বিদেশ গমনের পর। বাংলাদেশের বাইরে একাদিক দেশে পড়াশুনার সময় দেশ থেকে আগত … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

জিহাদী বধু: বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ যুবতী জয়া চৌধুরীর মর্মান্তিক কাহিনী

জয়া চৌধুরীর এ মর্মান্তিক কাহিনী নানান জনের মনে নানান প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেবে, জয়ার সম্পর্কে নানান জনে নানান মনোভাব পোষণ করবে। সব সত্ত্বেও একটা বাস্তবতা আমরা সবাই অনুধাবন করতে পারি যে – সেই সুদূর অতিতে কারও রেখে যাওয়া ভাবনা – হতে পারে তা ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক বা জাতীয়তাবাদী – আজও সম্ভাবনাময় জীবনকে ধ্বংসমুখী করে তুলতে পারে; শুধু নিজের জীবনকে নয় অন্যের জীবনকেও বিনাশ করার প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ করতে পারে।

খ্রিস্টধর্মের স্বরূপসন্ধান (৪র্থ পর্ব)

যিশু কর্তৃক ইহুদিবাদের সংস্কার প্রচেষ্টার কার্যকারণ ও খ্রিস্টধর্মের জন্ম [এ পর্বে আলোচিত হয়েছেঃ যীশুর মেসিয়া মিশনের আসল উদ্দেশ্য কী ছিল? যীশুর কোন রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা ছিল কি? ছিল কি রোমান শাসকদের সাথে তার কোন রকম বোঝাপড়া? এবং বাস্তব যীশুর অস্তিত্ব বিনাও খ্রিস্টধর্মের উৎপত্তি সম্ভব ছিল কি?] যীশুর জন্ম ও জীবনকালে ফিলিস্তিন ও পরদেশে ইহুদী সমাজ কী … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

খ্রিস্টধর্মের স্বরূপসন্ধান (৩য় পর্ব)

খ্রিস্ট ধর্মের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকারী ধারনাগুলো হচ্ছেঃ (১) যীশুই স্বয়ং ঈশ্বর বা এক কুমারী সতীনারীর গর্ভে জাত ঈশ্বরের পুত্র, (২) তার ছিল ১২জন শিষ্য, (৩) তাকে শুলে চড়িয়ে হত্যা করা হয়েছিল, (৪) তিনি কবর থেকে পুনরুত্থিত হয়েছিলেন, এবং (৫) খ্রিস্টধর্মীয় প্রতীক ‘ক্রুশ’ ইত্যাদি। এবং প্রাথমিক যুগের খ্রিস্টান ধর্মগুরুদের লেখা থেকেই জানা যায় যে, এগুলোর সবই যীশুর জন্মকালে মিশরীয় ও গ্রিক ধর্মীয় ও পৌরানিক উপাখ্যানে বিদ্যমান ছিল।

খ্রিস্টধর্মের স্বরূপসন্ধান (২য় পর্ব)

যিশুর ধর্মীয় মিশনের ৪ শতাধিক বছর আগে গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিসের নৈতিক ও সামাজিক-রাজনৈতিক ভাবধারা গ্রিক সমাজে এক অভাবনীয় জাগরণ তোলে, যা যিশুর সময়ে ফিলিস্তিনসহ সমগ্র রোমান সাম্রাজ্যে বিস্তৃত গ্রিকো-রোমান সভ্যতা ও সাংস্কৃতিক ভাবধারায় একীভূত হয়ে গিয়েছিল। এবং বাইবেলে উল্লেখিত যিশুর নৈতিক শিক্ষা ও সামাজিক-রাজনৈতিক উপদেশগুলোতে সক্রেটিসের ভাবনাগুলোর শক্ত প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। এর থেকে আমরা যিশুর ধর্মীয় মিশনের আসল রসহ্য সম্পর্কে ইঙ্গিত পাই কী?

খ্রিস্টধর্মের স্বরূপসন্ধান (১ম পর্ব)

যিশু প্রকৃতপক্ষে কে ছিলেন কিংবা এমন কেউ আদৌ ছিলেন কিনা, সে সম্পর্কে বাক-বিতণ্ডা রয়েছে। যিশুর ব্যক্তিত্ব ও সত্তাকে ঘিরে নানান আত্মবিরুদ্ধ ও আজগুবি দাবি ও তথ্য আসলেই তাকে একটা ‘অবাস্তব’ সত্তা হিসেবে প্রতিপন্ন করে। ফলে যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব সম্পর্কে সংশয়বাদীদের সন্দিহান অবস্থান আদৌ ভিত্তিহীন নয়, বরং শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে।

মুহাম্মদ (সঃ) মাতৃগর্ভে ছিলেন ৪ বছর – সত্যি না মিথ্যে প্রচারণা?

আমরা জানি যে, সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) পিতা আব্দুল্লাহ ও মা আমিনার ঘরে ৫৭০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। সম্প্রতি প্রকাশিত কিছু লেখায় দাবী করা হয়েছে যে, ইসলামি ঐতিহাসিক গ্রন্থে উল্লেখিত তথ্যমতে নবী মুহাম্মদ (সঃ) মাতৃগর্ভে অবস্থান করেছিলেন ২ বা ৪ বছর। অথচ মাতৃগর্ভে সন্তানের অবস্থান সাধারণত ২৮০ দিন বা ৯.২ মাস মাত্র। এ প্রেক্ষাপটে নবী মুহাম্মদ আসলে আব্দুল্লাহর পুত্র ছিলেন কিনা সে বিষয়ে কোন কোন লেখক সন্দেহ প্রকাশ করেছে। অন্যদিকে মুসলিমরা এটাকে ইসলাম-বিদ্বেষী মিথ্যে প্রচারণা বলে দাবী করেছে।

আল্লাহর বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের দৌড়ঃ ছায়ার ছোট-বড় হওয়ার নিয়ন্ত্রক সূর্য

ভূমিকাঃ মুসলিমরা দাবী করে যে, পবিত্র কোরানে কোনই বৈজ্ঞানিক ভুলভ্রান্তি নেই, বরং বিগ ব্যাং ও মানব ভ্রুনতত্ত্বের মত আধুনিক বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব কোরানে সেই ১৪০০ বছর আগেই উল্লেখ করা হয়েছে।আল্লাহ তা’আলা যেহেতু মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তা, কাজেই মহাবিশ্বের পরিচালনার কলকাঠি সম্পর্কে আল্লাহর সঠিক জ্ঞান থাকবে, সেটাই প্রত্যাশিত। আর কোরান যেহেতু সর্বজান্তা বিশ্বস্রষ্টা আল্লাহ রচিত একমাত্র সঠিক ও সর্বশেষ … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

ইসলামের প্রয়োজন একটুখানি পৌত্তলিকতার

ঐতিহাসিকভাবে পৌত্তলিকতা একত্ববাদের তুলনায় সহনশীলতা, শান্তি ও সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবে কাজ করেছে, এবং প্রচণ্ড পৌত্তলিকতা-বিদ্বেষী ইসলামের ধর্মীয় ও সামাজিক অবয়বে প্রকৃত পৌত্তলিকতা কিছুটা ঢুকিয়ে দিতে পারলে তা সামগ্রিক মানবতার জন্য শান্তি, সম্প্রীতি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি আনয়নে সহায়ক হবে। শুধু তাই নয়, জিহাদের ক্রমবর্ধমান ধ্বংশাত্মক থাবা থেকে মুসলিম-সহ আগামী মানব প্রজন্মকে রক্ষা করতে ইসলামের কিছুটা পৌত্তলিকতা, তথা সহনশীলতা, ঢুকিয়ে দেওয়া জরুরী হয়ে পড়েছে।

Posts navigation