Author: আলমগীর হুসেন

জীবন দর্শন: ইসলাম, মার্ক্সবাদ, উদারবাদ না মানবতাবাদ

জীবন দর্শন কী? জীবন দর্শন, যাকে ইংরেজীতে ‘Philosophy of Life’ কিংবা ‘Worldview’ বলা হয়ে থাকে, তা মূলত মানবজীবন সম্পর্কে আমাদের সামগ্রিক বোঝাপড়া (understanding)। অন্য কথায়, মানবজীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্র সম্পর্কে আমাদের ধারণা বা বোঝাপড়া এবং সে ভিত্তিতে জীবন চালনায় আমাদের কর্মকাণ্ড কী হবে, তার সমষ্টিই জীবন দর্শন। মানবজীবনের চারটি প্রধান ক্ষেত্র রয়েছেঃ (১) ব্যক্তিগত, (২) সামাজিক, … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

ইসলামে দাসত্ব মানবজাতির জন্য আল্লাহর শাশ্বত পরিকল্পনা ও আশীর্বাদ

মুসলিম হিসেবে বেড়ে উঠা কালে আমি সদা পাশ্চাত্যকে ঘৃণা করেছি প্রধানত দু’টো কারণে- ১) পাশ্চাত্যের অতীত সাম্রাজ্যবাদ ও দাসত্বের চর্চা (যা মুসলিম বিশ্বকে সর্বাধিক আক্রান্ত করেছিল) ও ২) ফিলিস্তিনদের উপর ইসরাইলের চলতি নির্যাতনের প্রতি তাদের সমর্থন। আমি সর্বদা মনে করেছি যে, ইতিহাসে ইসলাম কখনো এরূপ অপকর্মে লিপ্ত হয়নি; ইসলাম, খৃষ্টধর্মের বিপরীতে, সাম্রাজ্যবাদ ও দাসত্বের মতো … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

খ্রিস্টধর্মের স্বরূপ সন্ধান – যিশু কে ছিলেন, যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে বিতর্ক

যিশু কে ছিলেন? আদৌ যিশুর অস্তিত্ব ছিল কী?  ইহুদি ধর্ম হচ্ছে খ্রিস্টধর্মের অগ্রদূত। খ্রিস্টধর্ম ইব্রাহিমী একত্ববাদী ধর্মের একটা প্রশাখাই নয়, এর সূচনাও হয়েছিল ইহুদিধর্মের কেন্দ্রস্থল ফিলিস্তিনে। খ্রিস্টধর্মের জন্মকালে (১ম শতাব্দী) ফিলিস্তিন ছিল পৃথিবীর সর্বোচ্চ সংখ্যক ইহুদির বাসভূমি এবং ধর্মীয় ও রাজনৈতিকভাবে ইহুদিবাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পূণ্যভূমি। ইসলামধর্মীয় উপাখ্যানে যিশুর জন্ম সংক্রান্ত নানান কেচ্ছা-কাহিনী প্রচলিত আছে। তবে … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

বাংলা ভাষায় মুসলিম শাসকদের অবদান

“তবে আমাদের যে হিন্দু-বৌদ্ধ পূর্বপুরুষদের কৃপায় আমরা বাংলা ভাষাটি উপহার পেয়েছি, তারা যে আমাদের মাঝ থেকে ক্রমেই উধাও হয়ে যাচ্ছে – সে বিষয়টি আমাকে ভীষণ পীড়া দেয়।” ভাষাদিবসে ফেইসবুকে প্রকাশিত আমার ‘শুধাংশু! এবার তুই পালা’ নোটটিতে উদ্ধৃত এ বাক্যটি সম্পর্কে জনাব মনির হোসেন আমাকে লিখেছিলেন- hindu-bouddho sohojiader dhormashrito grohnto likhonitei bangla bhashar prosarota! aapnar kobitar … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

মুসলিম আমলে বাংলায় হিন্দু মন্দির ও মূর্তি ধ্বংসকরণের চিত্র

পূজোর মৌসুম, মূর্তি ভাঙ্গার মৌসুমঃ  পূজার মৌসুম চলছে বাংলাদেশে, চলছে সেই সাথে মুসলমানদের মূর্তি ভাঙ্গার মৌসুম। মুসলমানদের মাঝে মূর্তি ভাঙ্গার এ প্রবণতা সম্পর্কে প্রশ্ন তুললেই সুশীল মুসলমানরা বলে, ইসলাম শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম। ইসলামে ধর্মীয় ঘৃণা ও বিদ্বেষের কোন স্থান নেই। বাংলায় ইসলাম এসেছিল শান্তি ও সম্প্রীতির বাণী নিয়ে। ইসলামের মাহাত্মে অভিভূত হয়ে বাংলার হিন্দু, … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

গো-পূজারী থেকে গো-খাদকঃ ভারতবর্ষীয় মুসলমানদের মাঝে গোমাংস ও গো-কোরবানী প্রিয় হয়ে উঠার রহস্য

ভারতবর্ষীয় মুসলমানদের গোমাংস প্রীতিঃ গ্রাম্য পরিবেশে পরিবেশে বড় হয়েছি। আমাদের পরিবারে আমিষ জাতীয় খাদ্যের মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় মাছ, তারপর মুরগী ও খাসীর মাংস এবং সবচেয়ে কম পছন্দের হচ্ছে গোমাংস। ভাবতাম বাংলাদেশের সবার পছন্দ সম্ভবত একই। কিন্তু অবাক হই ১৯ বছর বয়সে পড়াশুনার জন্য বিদেশ গমনের পর। বাংলাদেশের বাইরে একাদিক দেশে পড়াশুনার সময় দেশ থেকে আগত … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

জিহাদী বধু: বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ যুবতী জয়া চৌধুরীর মর্মান্তিক কাহিনী

জয়া চৌধুরীর এ মর্মান্তিক কাহিনী নানান জনের মনে নানান প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেবে, জয়ার সম্পর্কে নানান জনে নানান মনোভাব পোষণ করবে। সব সত্ত্বেও একটা বাস্তবতা আমরা সবাই অনুধাবন করতে পারি যে – সেই সুদূর অতিতে কারও রেখে যাওয়া ভাবনা – হতে পারে তা ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক বা জাতীয়তাবাদী – আজও সম্ভাবনাময় জীবনকে ধ্বংসমুখী করে তুলতে পারে; শুধু নিজের জীবনকে নয় অন্যের জীবনকেও বিনাশ করার প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ করতে পারে।

খ্রিস্টধর্মের স্বরূপসন্ধান (৪র্থ পর্ব)

যিশু কর্তৃক ইহুদিবাদের সংস্কার প্রচেষ্টার কার্যকারণ ও খ্রিস্টধর্মের জন্ম [এ পর্বে আলোচিত হয়েছেঃ যীশুর মেসিয়া মিশনের আসল উদ্দেশ্য কী ছিল? যীশুর কোন রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা ছিল কি? ছিল কি রোমান শাসকদের সাথে তার কোন রকম বোঝাপড়া? এবং বাস্তব যীশুর অস্তিত্ব বিনাও খ্রিস্টধর্মের উৎপত্তি সম্ভব ছিল কি?] যীশুর জন্ম ও জীবনকালে ফিলিস্তিন ও পরদেশে ইহুদী সমাজ কী … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

খ্রিস্টধর্মের স্বরূপসন্ধান (৩য় পর্ব)

খ্রিস্ট ধর্মের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকারী ধারনাগুলো হচ্ছেঃ (১) যীশুই স্বয়ং ঈশ্বর বা এক কুমারী সতীনারীর গর্ভে জাত ঈশ্বরের পুত্র, (২) তার ছিল ১২জন শিষ্য, (৩) তাকে শুলে চড়িয়ে হত্যা করা হয়েছিল, (৪) তিনি কবর থেকে পুনরুত্থিত হয়েছিলেন, এবং (৫) খ্রিস্টধর্মীয় প্রতীক ‘ক্রুশ’ ইত্যাদি। এবং প্রাথমিক যুগের খ্রিস্টান ধর্মগুরুদের লেখা থেকেই জানা যায় যে, এগুলোর সবই যীশুর জন্মকালে মিশরীয় ও গ্রিক ধর্মীয় ও পৌরানিক উপাখ্যানে বিদ্যমান ছিল।

খ্রিস্টধর্মের স্বরূপসন্ধান (২য় পর্ব)

যিশুর ধর্মীয় মিশনের ৪ শতাধিক বছর আগে গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিসের নৈতিক ও সামাজিক-রাজনৈতিক ভাবধারা গ্রিক সমাজে এক অভাবনীয় জাগরণ তোলে, যা যিশুর সময়ে ফিলিস্তিনসহ সমগ্র রোমান সাম্রাজ্যে বিস্তৃত গ্রিকো-রোমান সভ্যতা ও সাংস্কৃতিক ভাবধারায় একীভূত হয়ে গিয়েছিল। এবং বাইবেলে উল্লেখিত যিশুর নৈতিক শিক্ষা ও সামাজিক-রাজনৈতিক উপদেশগুলোতে সক্রেটিসের ভাবনাগুলোর শক্ত প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। এর থেকে আমরা যিশুর ধর্মীয় মিশনের আসল রসহ্য সম্পর্কে ইঙ্গিত পাই কী?

Posts navigation