হযরত আয়েশা

Caution: Halal images below

 

 

333

 

 

~ যারা মোহাম্মদকে চিনে না তারা আসলে ইসলামকেই চেনেনা ~

 

নবী মুহাম্মদের প্রতিটি কথা ও কাজের পিছনে কোনো না কোনো কারণ থাকে। নবী যা বলেছেন তা তার উম্মত হিসেবে পালন করা সুন্নত। যেমন ধরুন, উনি একবার নারীদেরকে তাদের বুকের দুধ খাওয়াতে বলেছিলেন যাতে করে সেই পুরুষ গায়রে মহররম হয়ে যায় এবং ওই নারীকে বিয়ে করা হারাম হয়ে যায়, সুতরাং ওই  পুরুষ তার ঘরে অবাধে যাওয়া আসা করতে পারে।  এখন দেখা যাক এই রকমই কয়েকটা হাদিস আমরা শিখি-

 

সহিহ মুসলিম Book 008, Number 3424:

‘ A’isha (Allah be pleased with her) reported that Sahla bint Suhail came to Allah’s Apostle (may peace be upon him) and said: Messenger of Allah, I see on the face of Abu Hudhaifa (signs of disgust) on entering of Salim (who is an ally) into (our house), whereupon Allah’s Apostle (may peace be upon him) said: Suckle him. She said: How can I suckle him as he is a grown-up man? Allah’s Messenger (may peace be upon him) smiled and said: I already know that he is a young man. ‘Amr has made this addition in his narration that he participated in the Battle of Badr and in the narration of Ibn ‘Umar (the words are): Allah’s Messenger (may peace be upon him) laughed.

অর্থাৎ, আয়েশার বর্ণিত হাদিস, Sahla bint Suhail আল্লাহর নবীর  কাছে এসে জিজ্ঞেস করেন যে, সেলিমকে তিনি ঘরে ঢুকতে দেখেছেন, তখন আল্লার নবী তাঁকে বলেন,

“তোমার স্তন খাইয়ে দিও, এই কথা শোনার পর সাহেলা বলেন, ‘এতো বয়স্ক একজন মানুষকে কীভাবে আমার স্তন খাইয়ে দিবো?‘ তখন আল্লাহর নবী হেসে দেন এবং বলেন আমিতো জানি যে সে একজন বড় মানুষ…।”

Watch video: Sahih Muslim Chapter 8 Hadith 3224 3225

 

সহিহ মুসলিম Book 008, Number 3425:

‘A’isha (Allah be pleased with her) reported that Salim, the freed slave of Abu Hadhaifa, lived with him and his family in their house. She (i. e. the daughter of Suhail came to Allah’s Apostle (may peace be upon him) and said: Salim has attained (puberty) as men attain, and he understands what they understand, and he enters our house freely, I, however, perceive that something (rankles) in the heart of Abu Hudhaifa, whereupon Allah’s Apostle (may peace be upon him) said to her: Suckle him and you would become unlawful for him, and (the rankling) which Abu Hudhaifa feels in his heart will disappear. She returned and said: So I suckled him, and what (was there) in the heart of Abu Hudhaifa disappeared.

উপরের হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ীই আল্লাহর নবী সেলিমকে তার দুধ পান করাতে বললেন, যাতে করে সেলিম তাদের ঘরে অবাধে যাতায়াত করতে পারে। যেহেতু স্তন পান করার ফলে উনি তার পালিত পুত্র হয়ে যাবে তাই পরিস্থিতির সামাল দিতে নবী তাকে এই সমাধান দেন (সহি মুসলিম)।

এখানে অবুঝের একটি প্রশ্ন আছে, আল্লার নবীর নির্দেশ অনুযায়ী কোন অবিবাহিত মহিলা কিংবা যে নারী সন্তান জন্ম দেন নি; অর্থাৎ যে নারীর স্তনে দুধ নাই সে নারী বয়স্ক একজন পুরুষকে তার স্তন উন্মুক্ত করে কীভাবে খাওয়াবে? এর অর্থ তবে এই যে উক্ত পুরুষকে কুমারী নারী নিজের স্তনদ্বয় উন্মুক্ত করে বলবে এসো আমার স্তন সাক করো! আল্লার নবীর আইন উদার বটে!

Imam Malik’s Muwatta, Book 30, Number 30.1.8:

“Yahya related to me from Malik from Nafi that Safiyya bint Abi Ubayd told him that Hafsa, umm al-muminin, sent Asim ibn Abdullah ibn Sad to her sister Fatima bint Umar ibn al-Khattab for her to suckle him ten times so that he could come in to see her. She did it, so he used to come in to see her.”

অর্থাৎ, হাফসা (নবীর স্ত্রী) আসীম ইব্ন আব্দুল্লাহকে তার বোন ফাতিমা বিনতে ওমরের কাছে পাঠিয়ে ছিলেন, যাতে তার বোন তাকে ১০ বার স্তন পান করায়, যাতে পরবর্তীতে আসীম তার বোনকে দেখতে/খোঁজ খবর নিতে ফাতেমার ঘরে যেতে পারেন।

 

p3

 

উপরের হাদিসগুলো যদিও কোনো সুস্থ স্বাভাবিক মুসলিম নারী এখন আর পালন করে না, এবং  এইসব হাদিস নিয়ে প্রশ্ন করলে মুসলিম মোল্লারা বেশিরভাগ সময় এইগুলোকে বিভিন্ন গোজামিল দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেন। বলা হয় ওইগুলো বিশেষ প্রেক্ষিতে পরিস্থিতি সামাল দিতে বলা হয়েছিল এবং এইগুলো আর এই যুগে খাটে না!

এখন প্রশ্ন হলো, নবী মুহাম্মদের জীবদ্দশায় যেহেতু তিনি এই হাদিসগুলো বাতিল করেননি তাহলে এই শতাব্দীতে এসে মুসলিমরা এই সহি হাদিসগুলোকে কোন ক্ষমতাবলে বাতিল করে দিচ্ছে?

সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে মোহাম্মদ কীভাবে একটা বিশেষ পরিস্থিতি সামাল দিতে এই ধরনের জঘন্ন কথাবার্তা বলতে পারলেন এবং অথবা তাঁর মুখ দিয়ে এরকম কথা বের হতে পারে, আবার তাঁকেই আবার কোটি কোটি মুসলমান আদর্শ মানুষ হিসেবে মানেন?

সকলের নিকট প্রশ্ন থাকলো…

হযরত আয়েশা এর ব্লগ   ১,৫৫৭ বার পঠিত